৭ম শতাব্দীর চর্যাপদ থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল এবং শরৎচন্দ্রের হাত ধরে বাংলা সাহিত্য আজ বিশ্বদরবারে সমাদৃত।
গ্রাম বাংলার লোক সঙ্গীতের মধ্যে বাউল, জারি, সারি, ভাওয়াইয়া এবং ভাটিয়ালি উল্লেখযোগ্য। একতারা ও দোতারার সুর এই মাটির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বাংলাদেশের সংস্কৃতি বলতে দক্ষিণ এশিয়ার এই ভূখণ্ডের সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, ভোজনরীতি এবং উৎসবের মিথস্ক্রিয়াকে বোঝায়। অষ্টাদশ শতকের বঙ্গীয় রেনেসাঁ এই সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
৭ম শতাব্দীর চর্যাপদ থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল এবং শরৎচন্দ্রের হাত ধরে বাংলা সাহিত্য আজ বিশ্বদরবারে সমাদৃত।
গ্রাম বাংলার লোক সঙ্গীতের মধ্যে বাউল, জারি, সারি, ভাওয়াইয়া এবং ভাটিয়ালি উল্লেখযোগ্য। একতারা ও দোতারার সুর এই মাটির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
"মাছে ভাতে বাঙালি" — এই পরিচয় আমাদের রন্ধনশৈলীর ভিত্তি।
শাড়ি (জামদানি, মসলিন, টাঙ্গাইল তাঁত)। আধুনিক যুগে সালোয়ার কামিজ ও জিন্স-ফতুয়া জনপ্রিয়।
লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি ঐতিহ্যবাহী পোশাক। দাপ্তরিক কাজে শার্ট-প্যান্ট প্রচলিত।
জামদানি নকশা বর্তমানে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
ধর্ম যার যার, উৎসব সবার — এই নীতিতে পালিত হয় ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, দুর্গাপূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা এবং বড়দিন।